নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ইউনিয়ন থেকে সিটি করপোরেশন পর্যায়ের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ, সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা এবং মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে। প্রতিটি সিটি করপোরেশনে ৬টি, বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১টি করে টিম হবে। সদস্য বাছাই করা হবে জনবল ও প্রয়োজন অনুযায়ী, যা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক নির্ধারণ করবেন।
বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিককেও নির্বাচনকালীন সময়ে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। রোগী রেফার করার ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা ও যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অ্যাম্বুলেন্স, জনবল ও অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তা দিতে হবে।
প্রতিষ্ঠান প্রধানের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, ছুটির ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জানাতে হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়, সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। জরুরি বিভাগ, ল্যাব, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই কেন্দ্র নিয়মিত খোলা রাখতে হবে।
শুধু তাই নয়, সব বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।