মঙ্গলবার (২৩ জুন) আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস গিনেস কর্তৃপক্ষের অফিশিয়াল বিবৃতির বরাতে এই ঐতিহাসিক কীর্তির কথা নিশ্চিত করেছে। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নামা মেসি এই ম্যাচে জোড়া গোল করে বিশ্বমঞ্চে নিজের মোট গোল সংখ্যা নিয়ে গেছেন ১৮-তে। আর এই এক গোলের ম্যাজিক দিয়েই তিনি ভেঙে দিয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের দুটি মহাকাব্যিক রেকর্ড।
গোলবন্যার এই কীর্তিতে মেসি প্রথমে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ভেঙে পুরুষ বিশ্বকাপের একক শীর্ষে বসেন। এর পরপরই ব্রাজিলের নারী ফুটবল কিংবদন্তি মার্তার ১৭ গোলের রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিয়ে নারী-পুরুষ মিলিয়ে বিশ্বমঞ্চের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গোলদাতার মুকুট মাথায় পরেন এলএমটেন।
শুধু গোল করাই নয়, সফল অধিনায়ক হিসেবেও মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে গেছেন মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয়টি ছিল বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের ১৮তম জয়, যেখানে সাবেক জার্মান স্ট্রাইকার ক্লোসার জয় ছিল ১৭টি। এছাড়া মাঠে নামার সাথে সাথেই ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২৮টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার রেকর্ড এককভাবে নিজের করে নেন তিনি।
ম্যাচের চতুর্থ ও শেষ গিনেস রেকর্ডটি এসেছে মাঠে কাটানো সময়ের হাত ধরে। ইতালির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার পাওলো মালদিনির ২,২১৭ মিনিটের রেকর্ডকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপে এখন মোট ২,৪৮৯ মিনিট খেলার অতিমানবীয় কীর্তি শুধুই এই আর্জেন্টাইন জাদুকরের।