সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী এ সময়সূচি ঠিক করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-হজ সিস্টেমে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে।
প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে হজযাত্রীকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর আরও সাড়ে ৩ লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধনকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত প্যাকেজের বাকি অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন শেষ করতে হবে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে ইচ্ছুকরা ই-হজ সিস্টেমে ইউজার আইডি তৈরি করে সরাসরি নিবন্ধন করতে পারবেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, বায়তুল মোকাররম কার্যালয় এবং ঢাকা হজ অফিস থেকেও নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।
হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং পছন্দের হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে।
এদিকে, ১৫ বছরের কম বয়সীদের হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। গুরুতর হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, স্নায়বিক বা মানসিক রোগী, ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট চিকিৎসা গ্রহণরত ক্যান্সার রোগীরাও হজে যেতে পারবেন না।
এ ছাড়া যক্ষ্মা, হেমোরেজিক ফিভারসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও হজে যাওয়ার অনুমতি থাকবে না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীরাও ফিটনেস সনদ পাবেন না।