২ জুলাই রাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতিটি পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবির জন্য ৭৫ লাখ এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্যচিত্রের জন্য ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অনুদানপ্রাপ্ত ১২টি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার মধ্যে বিশেষ শাখায় স্থান পেয়েছে—
শিশুতোষ: রবিনহুডের আশ্চর্য অভিযান (প্রযোজক: জগন্ময় পাল)
প্রামাণ্যচিত্র: মায়ের ডাক (প্রযোজক: লাবিব নাজমুস শাকিব)
রাজনৈতিক ইতিহাস: জুলাই (প্রযোজক: মাহমুদুল ইসলাম)
সাংস্কৃতিক ইতিহাস: রুহের কাফেলা (প্রযোজক: আহমেদ হাসান সানি)
সাধারণ শাখায় অনুদানপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাগুলো হলো:
পরোটার স্বাদ, খোঁয়ারি, জীবন অপেরা, জলযুদ্ধ, কবির মুখ দ্য টাইম কিপার, কফিনের ডানা, নওয়াব ফুজুন্নেসা ও জুঁই।
স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে ২০টি প্রকল্প অনুদান পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে—
শিশুতোষ: মন্দ-ভালো (প্রযোজক: মাহবুব আলম)
প্রামাণ্যচিত্র: ফেলানী, ঝুঁকির মাত্রা, জীবনের গান
রাজনৈতিক আন্দোলনভিত্তিক: হু হ্যাজ মেইড আস ফ্লাই, ভরা বাদর, ১২৩০
ঐতিহ্য ও ফোকলোর: আঙুল (প্রযোজক: শুভাশিস সিনহা)
সাধারণ শাখায় অনুদানপ্রাপ্ত স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিগুলো হলো:
একটি সিনেমার জন্য, দাফন, সাঁতার, মাংস কম, গগন, অতিথি, বোবা, অদ্বৈত, আশার আলো, গর্জনপুরের বাঘা, হোয়্যার দ্য ওয়াটার স্লিপস ও অপসময়—সবকটিই প্রযোজক ও পরিচালকের দিক থেকে বৈচিত্র্যময়।
এ বছর রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে—পূর্ণদৈর্ঘ্যে ১৮৯টি এবং স্বল্পদৈর্ঘ্যে ১৪০টি। পিচিংয়ের সময় সীমিত হওয়ায় অনেক নির্মাতাই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একজন পরিচালক অভিযোগ করেন, “তিন মিনিটে সিনেমার প্রেজেন্টেশন সম্পন্ন করা অসম্ভব। সময় ও মনোযোগ—দুটোরই ঘাটতি ছিল।”
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত এ চলচ্চিত্রগুলো দেশের সংস্কৃতি ও ইতিহাস তুলে ধরবে—এমন প্রত্যাশা করছে সিনেমাসংশ্লিষ্টরা।