ফ্লামেঙ্গোর নাটকীয় প্রত্যাবর্তন শুরু হয় দ্বিতীয়ার্ধে। ৬২ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা ব্রুনো হেনরিকে গোল করে সমতা ফেরান। দুই মিনিট পরই দানিলোর গোল ফ্লামেঙ্গোকে এগিয়ে দেয় ২–১ গোলে। পুরো খেলায় ভোলবদল তখন থেকেই শুরু।
চাপ সামলাতে না সামলাতেই চেলসির উপর নেমে আসে নতুন দুর্যোগ। ৬৮তম মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসন, মাত্র চার মিনিট আগে বদলি হিসেবে নামা, নিজের জন্মদিনে ভয়ানক ট্যাকল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া চেলসি এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
শেষ মুহূর্তে, ৮৩ মিনিটে ওয়ালেস ইয়ান তৃতীয় গোল করে ফ্লামেঙ্গোর জয় নিশ্চিত করেন।
চেলসির একমাত্র উজ্জ্বল মুখ ছিলেন পেদ্রো নেতো—চতুর, গতিময়, এবং একমাত্র গোলদাতা। তবে ম্যাচের আসল তারকা ছিলেন ব্রুনো হেনরিকে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট—সরাসরি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি।
ফ্লামেঙ্গোর কোচ ফিলিপে লুইস ম্যাচ শেষে বলেন,
> “আমরা হাল ছাড়িনি। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা প্রমাণ করেছি আমরা শুধু প্রতিদ্বন্দ্বী নই, আমরা শীর্ষে ওঠার যোগ্য।”
অন্যদিকে, চেলসি কোচ এনজো মারেস্কা বলেন,
> “ফ্লামেঙ্গো ভালো খেলেছে। আমরা সুযোগ নষ্ট করেছি এবং শাস্তি পেয়েছি। লাল কার্ডটা বড় ধাক্কা।”
এই জয়ে গ্রুপ-ডি’র শীর্ষে উঠে এসেছে ফ্লামেঙ্গো, এবং চেলসি পড়ে গেছে কঠিন অবস্থানে। পরবর্তী ম্যাচে তিউনিশিয়ান ক্লাব এস্পেরঁসের বিপক্ষে জয় না পেলে বিদায়ের আশঙ্কা বাড়বে চেলসির