আদালত শুনানি শেষে ১০ হাজার টাকার মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে ২ জুন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছিলেন অপু বিশ্বাস। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।
রবিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে অপু বিশ্বাস ঢাকার সিএমএম আদালতের এজলাসে হাজির হন এবং পেছনের বেঞ্চে বসেন।
এর আগে, একই মামলায় আরেক অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া ১৮ মে গ্রেপ্তার হন এবং পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে দুই দিনের মাথায় তিনি জামিন পান।
মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, গত বছর ১৯ জুলাই ভাটারা থানার সামনে অবস্থান নেওয়া বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি চালানো হয়। ওই ঘটনায় এনামুল হক নামের একজন বিক্ষোভকারী পায়ে গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
পরে তিনি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৩ জনকে নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৩০০-৪০০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়।
অপু বিশ্বাস এ মামলার ২০৮তম নামধারী আসামি।
মামলায় মোট ১৭ জন অভিনেতা-অভিনেত্রীকে আসামি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন অপু বিশ্বাস, আসনা হাবিব ভাবনা, নুসরাত ফারিয়া ও জায়েদ খান। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা আওয়ামী লীগকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের বিরোধিতায় ভূমিকা রেখেছেন।