রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশনের ২৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় এসব কথা বলেন তিনি।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বলেন, নৈতিকতা ও মানবিকতার জায়গাগুলো দুর্বল হয়ে পড়ায় সমাজে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু আইন প্রয়োগের ওপর নির্ভর না করে নাগরিকদেরও সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে আবার গণতান্ত্রিক ধারার প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। এই ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার দায়িত্বও নাগরিকদের। ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনের পরিবর্তে স্থায়ী গণতান্ত্রিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচিত সরকারকে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
এ সময় কর আইনজীবীদের বিভিন্ন দাবির কথাও তুলে ধরেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন খান সংগঠনের নিজস্ব ভবন তৈরির জন্য জমি বরাদ্দে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা চান।
সংগঠনের সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল মতিন কর আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ, পেশাগত সমস্যা ও সুযোগ-সুবিধা দেখভালের জন্য ‘ট্যাক্সেস বার কাউন্সিল’ গঠনের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি রমিজউদ্দিন আহমেদ সংগঠনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি কর আইনজীবীদের ফোরামকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা চান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের রাজস্ব সংগ্রহে কর আইনজীবীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। যেসব ব্যক্তি আয়কর দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন, তাদের কাছ থেকে যথাযথভাবে কর আদায়ের বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
কর আইনজীবীদের পেশাগত সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রপতি। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।