দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, গুলশানে প্রায় অর্ধ একর জমির ওপর নির্মিত বহুতল ভবন এবং ভাটারায় তিন একরের বেশি আয়তনের একটি জমি জব্দের আওতায় এসেছে। দুদকের আবেদনে বলা হয়, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তদন্ত চলমান থাকায় এসব সম্পত্তি হস্তান্তরের আশঙ্কা রয়েছে।
দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শাহ আলম, তার পরিবারের সদস্য ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১০ সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল কাজ করছে। তদন্তে দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে হত্যা, প্রতারণা ও দুর্নীতির একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও এখনো শাহ আলম ও তার স্ত্রী গ্রেপ্তার না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বড় শিল্পগোষ্ঠীর মালিকদের আর্থিক অনিয়ম খতিয়ে দেখতে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো সক্রিয় হয়। এর ধারাবাহিকতায় এনবিআর, বিএফআইইউ ও দুদক একাধিক পদক্ষেপ নেয়—ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং শেয়ার জব্দের আদেশ দেওয়া হয়।
সবশেষে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ডিসেম্বরে শাহ আলমের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করে দুদক।