সোমবার (৮ জুন) নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে তিনি এনবিএ ফাইনাল ম্যাচ শেষে বিমানবন্দরে পৌঁছান।
মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা এখনও পরিষ্কার নয়। প্রাথমিকভাবে এটি শত্রুপক্ষের হামলা নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটি—সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালির আশপাশে সাম্প্রতিক সময়ে সামরিক উত্তেজনা ও টহল কার্যক্রম বেড়েছে, যা অঞ্চলটিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। ওই জলপথ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত।
ঘটনার ঠিক আগে ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে আবারও তীব্র হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে, যা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তোলে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাতের কারণে চলমান কূটনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস, পররাষ্ট্র দপ্তর এবং সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া এখনো ‘চলমান’ রয়েছে, যদিও আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।