মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীতে আয়োজিত জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন,“আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিকবার প্রধান উপদেষ্টার অ্যাপয়ন্টমেন্ট চেয়েছি। কিন্তু চার মাস পার হয়ে গেলেও তিনি আমাদের সময় দেননি। আমরা দেশের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানি খাতের প্রতিনিধিত্ব করছি, অথচ আমাদের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না—এটা অত্যন্ত হতাশাজনক।”
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন,“১০০ মিলিয়ন ডলারের কোম্পানি স্টারলিংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এলে প্রধান উপদেষ্টা সময় দেন, কিন্তু ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের সময় দেন না। এর দায় তিনিকেই নিতে হবে।”
বিজিএমইএ সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ ও প্রস্তাবনা জানাতে না পারলে সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ সমন্বয় সম্ভব নয়। আমরা যদি নেগোসিয়েশনের সুযোগই না পাই, তাহলে বুঝব কীভাবে—আমাদের দরকষাকষির দক্ষতা আছে কি নেই.?
তিনি আরও জানান, “এই সংবাদ সম্মেলন তিন দিন আগেই করার পরিকল্পনা ছিল। গত দুই মাস ধরে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু যথাযথ সাড়া পাইনি। নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ না পেলে কোনো সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।”
এ সময় চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন,“বিদেশি প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যুক্ত হলে ব্যয় কমার কথা, বাড়ার নয়। এতে বন্দরের দক্ষতা (efficiency) আরও বাড়বে। এখানে আমরা ভূ-রাজনীতির বিষয় নয়, বাস্তব অর্থনৈতিক প্রভাব দেখছি।”