এর আগে ভোটগ্রহণ চলাকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ‘জরুরি ঘোষণা’ শিরোনামে নির্বাচন বর্জনের কথা উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট, ব্যাপক কারচুপি এবং তার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ হিসেবেই তিনি নির্বাচনী প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানান।
ভোটের দিন সকালে দুই প্রধান প্রার্থী নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান সকাল ৮টায় শ্রীবরদীর তাতিহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল সকাল ১০টায় ঝিনাইগাতীর রুপারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন।
এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন—বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের মো. মাসুদুর রহমান এবং বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান।
১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন এলাকায় ভোটার উপস্থিতি ছিল মিশ্র।
নির্বাচন ঘিরে জেলায় জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে রয়েছে মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পাশাপাশি নির্বাহী ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ নির্বাচন পর্যবেক্ষকরাও মাঠে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে পূর্বনির্ধারিত নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পরে নতুন তফসিল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার এ উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।