নিখোঁজ ডিপজল আহমদ উপজেলার বারঠাকুরী ইউনিয়নের দিগালিগ্রাম গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা আহমদ আলী গত শুক্রবার জকিগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত সোমবার সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কাজের উদ্দেশ্যে কয়েকজনের সঙ্গে যান ডিপজল। পরে তার সঙ্গীরা ফিরে এলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে অভিযোগ ওঠে, সীমান্ত দিয়ে মহিষ আনতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে ডিপজল নিহত হয়েছেন। তাদের দাবি, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর বিএসএফ সদস্যরা তাকে ভারতীয় ভূখণ্ডে নিয়ে যায়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিএসএফ।
ঘটনার পর বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ জানায়, ডিপজল আহমদ সম্পর্কে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।
বারঠাকুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহসিন মর্তুজা চৌধুরী (টিপু) বলেন, ডিপজলের সঙ্গে থাকা কয়েকজন জানিয়েছেন, বিএসএফ গুলি চালানোর পর তাকে নিয়ে যায়। কিন্তু পরে তারা বিষয়টি অস্বীকার করায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
জকিগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পরিবারের করা জিডির ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ডিপজল বিএসএফের হেফাজতে আছেন নাকি অন্য কোথাও রয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে পাঁচ দিনেও কোনো সন্ধান না মেলায় ডিপজলের স্বজনরা দ্রুত তাকে খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।