তুরস্কে অনুষ্ঠিত ‘আন্টালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরাম’-এর এক পার্শ্বআলোচনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, সম্ভাব্য একটি শান্তি চুক্তির কাজ ইতোমধ্যেই প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।তবে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই পক্ষকেই আরও কিছুটা নমনীয় অবস্থান নিতে হবে।
ইসহাক দার বলেন, পাকিস্তানের লক্ষ্য শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং এমন একটি সমাধান যা দীর্ঘমেয়াদে সংঘাতের ইতি টানবে। এ জন্য ইসলামাবাদ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, শান্তি উদ্যোগে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে।
ইসলামাবাদে সম্প্রতি হওয়া বৈঠকে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে আলোচনা প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, পাকিস্তানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল, সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের নেতৃত্বে, বর্তমানে তেহরানে অবস্থান করছে এবং ইরানি শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও আন্টালিয়া ফোরামে অংশ নিয়েছেন। এর আগে তিনি সৌদি আরব ও কাতার সফর করেন, যেখানে আঞ্চলিক শান্তি উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।