বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সম্প্রতি আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক হলেও এটিকে কেন্দ্র করে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক মনে করেন না।
তিনি লেখেন, কোনো ঘটনায় অবহেলা, দায়িত্বে গাফিলতি বা অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তা না করে দীর্ঘদিন ধরে ‘গরিবের হাসপাতাল’ হিসেবে পরিচিত এবং মানসম্মত চিকিৎসাসেবার জন্য মানুষের আস্থা অর্জন করা একটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
জামায়াত আমিরের ভাষ্য, এ সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপরই পড়বে। কারণ চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি আদ্-দ্বীন একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, যেখানে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। একই সঙ্গে সেখানে নার্সিং শিক্ষাও কার্যক্রম চালু রয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে এসব শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ কী হবে এবং তারা কোথায় গিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাবে।
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে ডা. শফিকুর রহমান সরকারের প্রতি সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে লাইসেন্স বাতিল করে একটি হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া জনস্বার্থ ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।