সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দীর্ঘ শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক মো. রাকিবুল ইসলাম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান দাবি করেন, সিফাত আব্দুল্লাহ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে আঁতাত করে বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল ও সভা আয়োজনের মদদদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। পুলিশের তদন্তে এ বিষয়ে তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, এসব বিষয় আদালতের সামনে তুলে ধরার পর বিচারক সিফাতের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
রিমান্ডের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী বলেন, রিমান্ড চাওয়ার সময় এখনো শেষ হয়নি। প্রয়োজন মনে করলে পুলিশ যেকোনো সময় আদালতে রিমান্ডের আবেদন করতে পারে।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি বলেন, সরকারের হীন প্রচেষ্টার কারণেই সিফাতের জামিন হয়নি।
তার দাবি, আটকের পর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সরকারপ্রধানকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও গালাগাল করার অভিযোগে সিফাতকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু পরে তাকে পূর্বের একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরা হলেও বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন বলে জানান রাশেদুল ইসলাম রবি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে সিফাত আব্দুল্লাহকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।