তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে না এবং বিএনপিও অতীতেও এ ধরনের রাজনীতি করেনি। ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের নৈতিকতা ও কল্যাণের পথ দেখায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গৌতম বুদ্ধের পঞ্চশীল নীতি—প্রাণী হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা বলা ও মাদক থেকে বিরত থাকা—মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে তিনি তুলে ধরেন। পাশাপাশি অহিংসা ও সব প্রাণীর প্রতি দয়া প্রদর্শনের বার্তাকে মানবসমাজ গঠনের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় আইন ও ধর্মীয় নীতি অনুসরণ করলে একটি মানবিক সমাজ গড়া সম্ভব। সব নাগরিক যাতে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারে, সেটিই সরকারের অঙ্গীকার।
তারেক রহমান আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। কেউ যেন নিজেকে সংখ্যালঘু না ভাবে, বরং সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সমান মর্যাদার অধিকারী।
তিনি মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করে বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার আত্মত্যাগেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই ঐক্যের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে।
শেষে তিনি বৌদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানিয়ে দিনটি সবার জন্য শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় হোক—এই কামনা করেন।