তিনি আরও জানান, গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক সহিংসতা ও আন্দোলনের সময় বহু নেতা–কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন, আহত ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্দোলন চলাকালে বহু মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে, একাধিকবার কারাবরণ, রিমান্ড ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েও তিনি সক্রিয় ছিলেন।
সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বিরোধী দলীয় সদস্যদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন। তার মতে, সংসদীয় কার্যক্রমে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে বিরোধী পক্ষের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা উন্নয়ন জরুরি, যাতে পুরো সংসদের কার্যক্রম আরও প্রাণবন্ত হয়।
তিনি ইতিহাস প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং পরবর্তীতে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি গড়ে দেন। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান ও সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় তার ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
শেষে তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ তারেক রহমানের নেতৃত্বে আরও সুসংহত হবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদী।