বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-এ মামলার আবেদন উপস্থাপন করা হলে শুনানি শেষে তা আমলে নেওয়া থেকে বিরত থাকেন আদালত। অভিযোগে আসিফ মাহমুদ-কে প্রধান আসামি করে মোট ৪২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
মামলাটি পর্যালোচনা করেন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকী। অভিযোগের বিষয়বস্তু শুনে এবং নথিপত্র যাচাই করে আদালত মামলাটি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত দেন।
মামলার আবেদনকারীর বক্তব্যে বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ নিম্নলিখিত ৪২ জন ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তারা হলেন-
আসিফ মাহমুদ, আব্দুল কাদের, আবু বাকের মজুমদার, আব্দুল হান্নান মাসুদ, আদনান আবির, জামান মৃধা, মোহাম্মদ সোহেল মিয়া, রিফাত রশিদ, হাসিব আল ইসলাম, আব্দুল্লাহ সালেহীন অয়ন, লুৎফর রহমান, আহনাফ সাঈদ খান, মোয়াজ্জেম হোসেন, ওয়াহিদুজ্জামান, তারেকুল ইসলাম (তারেক রেজা), হামজা মাহবুব, রেজোয়ানা রিফাত, তরিকুল ইসলাম, নুসরাত তাবাসসুম, রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।
মুমতাহীনা মাহজাবিন মোহনা (বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), আনিকা তাহসিনা (রোকেয়া হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), উমামা ফাতেমা (সুফিয়া কামাল হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী, নিশিতা জামান নিহা, মেহেদী হাসান (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ), মো. আবু সাঈদ, সানজানা আফিফা আদিতি, তানজিনা তামিম হাফসা, আলিফ হোসাইন।
কাউসার মিয়া, সাইফুল ইসলাম, আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), আব্দুর রশিদ জিতু (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), স্বর্ণা রিয়া (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), রাসেল আহমেদ (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), আসাদুল্লাহ আল গালিব (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক (শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী মিশু (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়), নাজমুল হাসান (ঢাকা কলেজ)।
শাহিনুর সুমী (ইডেন মহিলা কলেজ), সিনথিয়া জাহিন আয়েশা (বদরুন্নেসা কলেজ)।
মামলার আবেদনকারী জালাল হোসেন মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী থানার জাঙ্গিরাই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।