মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়া হতে পারে। এছাড়া জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে ক্লাস পরিচালনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানেই অবস্থান করে অনলাইন ক্লাস নেবেন, আর ব্যবহারিক পাঠ সরাসরি শ্রেণিকক্ষেই হবে।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় অনলাইন শিক্ষার যে অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছিল, সেটিকে কাজে লাগিয়ে এবার আরও সমন্বিতভাবে পাঠদান চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা বিবেচনায় বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে এই মিশ্র শিক্ষাপদ্ধতি নিয়ে ভাবছে সরকার।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, পরিস্থিতি বৈশ্বিক হওয়ায় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনার চিন্তা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই এ প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক এক জরিপে প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ আংশিক অনলাইন শিক্ষার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে পুরোপুরি অনলাইন হলে শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
একটি শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষও জানিয়েছেন, সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন সরাসরি ক্লাসের প্রস্তাব শিক্ষকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।