সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বাদামতলা ঘুরে প্রধান ফটকে গিয়ে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধনে তারা ‘ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্টদের প্রান্তিকরণ মানি না’, ‘পেশাগত ন্যায়বিচার চাই’, ‘স্বাস্থ্যখাতে বৈষম্য বন্ধ কর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্যাথোলজি ল্যাব রিপোর্টে বায়োকেমিস্টরা স্বাক্ষর করে আসলেও চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনে কেবল বিএমডিসিতে নিবন্ধিত চিকিৎসকদের স্বাক্ষরের অনুমতি দেওয়া হয়। এতে বায়োকেমিস্টদের পেশাগত অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করেন বক্তারা এবং অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রজ্ঞাপনের ধারা–৫ অনুযায়ী শুধু বিএমডিসি নিবন্ধিতরা ল্যাব রিপোর্টে স্বাক্ষর করতে পারবেন, যা বায়োকেমিস্টদের মেধাভিত্তিক অধিকার হরণ করছে এবং স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করছে। দ্রুত এ সিদ্ধান্ত সংশোধনের দাবি জানান তিনি।
কর্মসূচিতে বিভাগের শিক্ষকরাও অংশ নেন। প্রভাষক মো. আবু রায়হান বলেন, বায়োকেমিস্টরাই মূলত রিপোর্ট বিশ্লেষণ ও সঠিকভাবে প্রস্তুত করেন। তাদের বাদ দিয়ে শুধু চিকিৎসকদের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক এবং পেশাগত অবিচার।
বিভাগীয় প্রধান ড. মাহবুবা খাতুন বলেন, একজন নিয়োজিত বায়োকেমিস্টের ল্যাব রিপোর্টে স্বাক্ষর করার পূর্ণ পেশাগত ও আইনগত অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার কেড়ে নেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অন্যায্য।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এ প্রজ্ঞাপনের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি পালন করছে।