রোববার (৭ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রামিসার ঘটনায় তদন্ত, গ্রেফতার ও বিচারিক কার্যক্রম খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আদালতের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি জানান, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনার পাশাপাশি আইনের আওতায় থেকে মামলাটির শুনানি দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, রামিসা হত্যা মামলায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি গোয়ালন্দ ঘাটে দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা এবং গজারিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় কার্যকর ভূমিকার জন্যও কিছু সদস্যকে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আরও বলেন, যারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন তাদের উৎসাহ দেওয়া হবে, আবার দায়িত্বে গাফিলতি থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান সময়ে পুলিশের বেশ কিছু কর্মকাণ্ড জনগণের প্রশংসা অর্জন করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, রোববার পল্লবীর আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালত প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।