গতকাল শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয় ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আগের দিন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে শনিবার বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন ও জামায়াত পৃথক কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে পশ্চিম শুল্লকিয়া এলাকায় দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পর সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষে কালাদরাপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহদাত উল্যাহ সেলিম ও নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হৃদয়সহ বেশ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত হৃদয়কে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর এবং চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে উত্তেজিত নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেয়। পাল্টা হামলায় ছাত্রদল কর্মীদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও র্যাব ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং অভিযান চলছে।