দুদকের অনুসন্ধান দল সুনির্দিষ্ট ঠিকানাসহ সম্পত্তির তথ্য কমিশনে দাখিল করেছে এবং তা জব্দের অনুমোদনও পেয়েছে। ২৪ জুলাই এ বিষয়ে আদালতে আবেদন করা হবে। আদালতের আদেশের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মাধ্যমে বাড়িগুলো জব্দের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।
১. প্রথম বাড়ি: ২০২৪ সালের ৬ জুলাই ভার্জিনিয়ার গ্রেট ফলস রোডের পার্কার হাউস ড্রাইভের ১০৪১১ নম্বর বাড়ি। দাম ছিল ৩৮ লাখ ৭৯ হাজার ৫৬০ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৪৫ কোটি ৪৭ লাখ ৭৩ হাজার ৬৬১ টাকা)। এটি জয়ের একক মালিকানাধীন।
২. দ্বিতীয় বাড়ি: ২০১৪ সালের ৫ মে ৯ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৫ মার্কিন ডলারে (৭ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৪০৬ টাকা) ক্রিস্টিনা ওয়াজেদের সঙ্গে যৌথ মালিকানায় কেনা হয়।
উল্লেখ্য, সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে যুক্তরাষ্ট্রে আরও ১৩টি বাড়ি ও শপিং মলের মালিকানার অভিযোগও দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
এছাড়া, চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল আদালত শেখ হাসিনার পরিবারের পাঁচ সদস্যের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেয়। এর মধ্যে রয়েছে:
সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের গুলশানের বাড়ি (৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা)।
খুলনার দিঘলিয়ায় শেখ রেহানা, সায়মা ওয়াজেদ ও জয়ের নামে থাকা ৮৭.৭০ শতাংশ জমি (৬১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা)।
রাদওয়ান মুজিব ও আজমিনা সিদ্দিকের নামে থাকা জমি (৪১ লাখ ২৪ হাজার টাকা)।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ রেহানার নামে থাকা জমি (২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা)।
এর আগে, ১০ মার্চ পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পে অনিয়ম করে প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পৃথক ৮টি চার্জশিট আদালতে দাখিল করে দুদক। অভিযোগপত্রে ১৪ সরকারি কর্মকর্তাকেও আসামি করা হয়েছে। এ মামলাগুলো বর্তমানে বিচারাধীন।
এছাড়া, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ৩০০ মিলিয়ন ডলার (৩০ হাজার কোটি টাকা) বিদেশে পাচারের অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে।