তারেক রহমান বলেন, ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন—স্বৈরশাসন পতনের দিন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯০ সালের এই দিনে দেশের ছাত্র-জনতার জোয়ারে এরশাদবিরোধী স্বৈরাচার পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র নতুনভাবে শ্বাস নিতে পারে। এর আগে ১৯৮২ সালে এরশাদ সাংবিধানিক শপথ ভঙ্গ করে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছিলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ নয় বছর আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমে খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক হয়ে ওঠেন এবং ছাত্রজনতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন ৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মুখ দেখেছিল।
তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টেও ছাত্র-জনতা আরেকটি দমন-পীড়নমূলক শক্তিকে পরাজিত করেছে। তার মতে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সবসময়ই গণতন্ত্রের প্রতিপক্ষ ছিল, এবং শেখ হাসিনার দুঃশাসনের অবসানের পর গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের লড়াই এখনও চলমান।
তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার সময়ে ‘গণতন্ত্রের মা’ খালেদা জিয়ার ওপর অন্যায় নিপীড়ন চালানো হয় এবং সেই নির্যাতন তাঁকে গুরুতর অসুস্থ করে তুলেছে। তারেক রহমান আল্লাহর কাছে তাঁর সুস্থতা কামনা করেন।
এ ছাড়া বছরের পর বছর বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন, গ্রেপ্তার ও দমন-পীড়নের কথাও তিনি স্মরণ করেন।
শেষে তিনি ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে অংশ নেওয়া দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।