তিনি বলেন, নির্ধারিত তারিখে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি দেশ গড়ার দায়িত্বও নিতে হবে সবাইকে। “বাংলাদেশই আমাদের প্রথম ও শেষ আশ্রয়”—এই কথার মাধ্যমে তিনি ভোটারদের দায়িত্বশীল ভূমিকার আহ্বান জানান।
এলাকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, বিদ্যমান ইপিজেডকে সম্প্রসারণ করা হবে এবং স্থানীয় তরুণদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এতে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নারীদের স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রত্যেক পরিবারের নারীর হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে সরকারি সহায়তা সরাসরি তাদের কাছে পৌঁছায়। কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালুর কথাও জানান তিনি, যাতে কৃষকরা সহজে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও উপকরণ পেতে পারেন।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ইমাম, খতিব ও অন্যান্য ধর্মগুরুর আর্থিক দুরবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে তাদের জন্য নিয়মিত সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্ষমতায় এলে এটি হবে অগ্রাধিকারমূলক কাজ, যাতে উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও জীবিকা নতুন গতি পায়। পাশাপাশি নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং কিশোরগঞ্জ–সৈয়দপুর শিল্পাঞ্চলের বিদ্যমান রেল কারখানাসহ শিল্প স্থাপনাগুলোকে সক্রিয় ও সম্প্রসারিত করার কথাও বলেন তিনি।
জনসভায় তিনি অভিযোগ করেন, ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। এ ধরনের অনিয়ম হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।