সোমবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
গত ১৬ মে যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. ইব্রাহিম খলিল বনানী থানার ওই মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন খোয়াইব। পরে বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে যাত্রাবাড়ী মোড়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন খোয়াইব। পরে স্থানীয়রা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত খোয়াইবের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করা হয়।
খায়রুল হককে গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে ২ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানার খোয়াইব হত্যা মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন চেম্বার আদালত। পরে বনানী থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয় এবং আজ ওই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন তিনি।
আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে আরও সাতটি মামলায় বিভিন্ন সময়ে জামিন পেয়েছেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি।
গত ৩০ জুন খোয়াইব হত্যা মামলায় হাইকোর্ট খায়রুল হককে জামিন দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এর আগে গত ২৩ মে পৃথক সাত মামলায় জামিন পাওয়ার পর তাকে নতুন করে যাত্রাবাড়ী থানার খোয়াইব হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত এ বিষয়ে আদেশ দিয়েছিলেন।