রোববার জাতীয় সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সংবিধান সংশোধনের জন্য সরকার ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সর্বদলীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। তার মতে, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই প্রক্রিয়া এগোলে সংস্কার আরও কার্যকর হবে।
মন্ত্রী সংবিধানের মূলনীতিতে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনর্বহালের কথা তুলে ধরে বলেন, এটি পূর্বে সংযোজিত হলেও পরে বাদ পড়েছে—এটি পুনঃস্থাপন জরুরি।
তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের জুলাই জাতীয় সনদ গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং এর দফাগুলো বাস্তবায়নে সংসদকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। পঞ্চদশ সংশোধনীকে সমালোচনা করে তিনি উল্লেখ করেন, এর কিছু অংশ ইতোমধ্যে আদালত বাতিল করেছে এবং বাকিগুলো সংসদের মাধ্যমেই বাতিল করা সম্ভব।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতা জনগণের, যা প্রয়োগ হয় নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমে—এ কারণে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কোনো অ-নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়া উচিত নয়।
সবশেষে তিনি ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।