ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. এম. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। শহীদদের আদর্শ ধারণ করে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-এর যুক্তরাজ্য শাখার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নে গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. এম. নজরুল ইসলাম শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের আত্মত্যাগকে স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।