সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, অতীত ও বর্তমান বিভিন্ন প্রশাসনিক ঘটনার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নিয়ে খতিয়ে দেখার বিষয়টি সামনে এসেছে। বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেন সময়কার নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং কিছু সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তার ভূমিকা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে।
একাধিক ঘটনার পর সাম্প্রতিক সময়ে কিছু সাবেক সামরিক কর্মকর্তার গ্রেপ্তারের পর সাখাওয়াত হোসেন সম্পর্কেও নতুন তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এসব তথ্য অনুযায়ী, সে সময়কার প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে তার অবস্থান ও ভূমিকা নিয়ে নতুন করে মূল্যায়নের আলোচনা চলছে।
অভিযোগের সূত্রে আরও বলা হচ্ছে, ওই সময় নির্বাচন কমিশনের কিছু কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরের পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তার সম্পৃক্ততা ছিল বলে দাবি করা হয়।
২০০৮ সালের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ব্যালট ছাপানোসহ কিছু প্রক্রিয়াগত বিষয়েও তার ভূমিকা নিয়ে অতীতে আলোচনা ছিল, যা এখন আবার সামনে আসছে বলে জানা যায়।
এছাড়া তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর চাপ ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়েছে। যদিও এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও আনুষ্ঠানিকভাবে সব তথ্য এক জায়গায় যাচাই করা হয়নি।
সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পর্বে তাকে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর এক পর্যায়ে দপ্তর পরিবর্তন এবং পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়। তার কিছু বক্তব্য ও অবস্থান নিয়ে সরকারের ভেতরেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে সূত্রের দাবি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ও কিছু প্রকল্পকে ঘিরে তার পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে কিছু অবকাঠামো ও সরবরাহ প্রকল্পে প্রভাব খাটানোর দাবি উঠেছে, যা নিয়ে তদন্তের কথাও শোনা যাচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সব মিলিয়ে ওয়ান-ইলেভেন সময়কাল থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পর্ব পর্যন্ত সাখাওয়াত হোসেনকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার নতুন মাত্রা তৈরি হয়েছে।