শিক্ষার্থীরা এই সময়ে স্লোগান দেন, যেমন: ‘নিয়োগে বৈষম্য চলবে না’, ‘প্রশাসনের কালো হাত ভেঙে দাও’ এবং ‘আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের স্থান নেই’।
ছাত্র সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. হুমায়ুন কবির জানান, “বিএলআরআই কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীদের নিয়ে বৈষম্য করছে। আমরা ইতিমধ্যে প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ও বিএলআরআই কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাইনি। আমাদের দাবি দ্রুত এবং স্থায়ী সমাধান।”
অন্য শিক্ষার্থী মো. মাহিদুজ্জামান সিয়াম বলেন, “২০১৬ সালে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে কম্বাইন্ড ভেটেরিনারি ডিগ্রি চালু হয়। এতে পশু চিকিৎসা ও পশু পালন—উভয় ক্ষেত্রে সমন্বিত শিক্ষা দেওয়া হয়। অথচ বিএলআরআই এখনো আমাদের সমান সুযোগ দিচ্ছে না। এটি স্পষ্ট বৈষম্য এবং অনিয়ম।”
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন, যেমন: ‘কম্বাইন্ড ডিগ্রি অপরাধ নয়’, ‘ভেটেরিনারি এক পরিবার, সমান অধিকার চাই’ এবং ‘সমন্বিত ভেটেরিনারি শিক্ষা দেশের সম্মান’।
শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্যমূলক নিয়োগবিধি দ্রুত সংশোধন না হলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। কর্মসূচি শেষে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে সমস্যার সমাধানের জন্য হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।