শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সীমিত সময়ের মধ্যে বাজেট প্রণয়ন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবুও সংশ্লিষ্ট সবাইয়ের সহযোগিতায় এটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বাজেট প্রক্রিয়ায় যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি আরও বলেন, অতীতে অর্থনৈতিক সুবিধা কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এবারের বাজেটে সেই বৈষম্য কমিয়ে সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো নৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে অর্থনীতি পরিচালনা করা এবং সরকারি অর্থের অপচয় কমানো। একই সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনায় স্বচ্ছতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বাজেটের নীতি, দর্শন ও অগ্রাধিকার খাত তুলে ধরেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।