রোববার (৩০ আগস্ট) বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই পাঠ্যক্রমে নতুন কিছু বিষয় যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে ‘স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘টেকনিক্যাল এডুকেশন’ থাকবে। এসবের মাধ্যমে খেলাধুলা, কারিগরি শিক্ষা, রোবটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এসএসসি পরীক্ষার মূল্যায়ন নিয়ে মাহদী আমিন বলেন, এবার কোনো গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত ফল পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্যও বিকল্প কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। তাদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার ও বিভিন্ন কারিগরি-ভোকেশনাল কোর্সে যুক্ত করে দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
বেকারত্ব কমাতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এখানে চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের দক্ষতার তথ্য নিবন্ধন করতে পারবেন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি কর্মী খুঁজে নেওয়ার সুযোগ পাবে।
এ ছাড়া শিক্ষকদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়াতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে ট্যাব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা এবং বিদেশে থাকা বাংলাদেশি গবেষকদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
গ্রাম ও শহরের শিক্ষার্থীদের সুযোগের বৈষম্য কমাতে ফুটবল টুর্নামেন্ট, ইনোভেশন ও স্টার্টআপ প্রতিযোগিতার মতো জাতীয় আয়োজনের কথাও জানান মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, শুধু সনদ নয়, দক্ষতা, কর্মসংস্থান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।