তবে ঠিক কী অভিযোগে বা কোন সন্দেহের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানায়নি আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিমানের জনসংযোগ শাখার ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, মীর্জা আদনান একটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আমিরাতে গিয়েছিলেন। সেখানে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে। আটকের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ইমিগ্রেশন সাধারণত এ ধরনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয় না। তদন্ত শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে অথবা কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
বিমানের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি ফ্লাইট অপারেশন্স বিভাগের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে। এ মুহূর্তে তার কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য নেই।
এদিকে ফ্লাইট অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক ক্যাপ্টেন এ কে এম আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। পরে তিনি বিমানের জনসংযোগ শাখা ও কাস্টমার সার্ভিস বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
বিমানের শারজাহ স্টেশনের একটি সূত্র জানায়, গত ২২ জুলাই দায়িত্ব পালনের জন্য শারজাহ বিমানবন্দরে যাওয়ার পর মীর্জা আদনান নিখোঁজ হন। পরে জানা যায়, বিমানের বিজি-১৫১ ফ্লাইট পরিচালনা শেষে শারজাহ বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করেছে। এরপর তাকে শারজাহ থেকে আবুধাবি সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি আবুধাবি সিআইডির হেফাজতেই রয়েছেন।
বিমানের শারজাহ স্টেশনের ব্যবস্থাপক জাকির হোসাইন বলেন, শারজাহ সিআইডি পুলিশ মীর্জা আদনানকে আটক করে আবুধাবি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করেছে। এ বিষয়ে পরে আবুধাবির সংশ্লিষ্ট থানা থেকে বিমানের আবুধাবি স্টেশন ও বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করা হয়েছে। দূতাবাসও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, শারজাহ বিমানবন্দরের পুলিশ ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও আটকের কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে বিমানের আবুধাবি স্টেশনের ব্যবস্থাপক আনোয়ার উল ফিরদাউস জানান, সোমবার তারা বিমানবন্দরে গিয়ে আবুধাবি এয়ারপোর্ট অথরিটি এবং বিমানবন্দরের সিআইডি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে রাজি হয়নি।