রোববার দেওয়া এক বিবৃতিতে চরমোনাই পীর জানান, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশ একটি নতুন পথে এগিয়েছে। সেই আন্দোলনের ফলেই আজ গণভোট ও নতুন নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও পুরোনো দমনমূলক কাঠামোর অনেক কিছু এখনো রয়ে গেছে।
তার মতে, এসব অবশিষ্ট কাঠামো দূর করতেই জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং গণভোটের মাধ্যমে এর আইনি বৈধতা নিশ্চিত করা হবে। তাই এই ভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়াই হবে জনগণের আন্দোলনের প্রকৃত স্বীকৃতি।
তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন শুধু একটি ভোটের দাবিতে ছিল না, বরং একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই তা হয়েছে। সেই লক্ষ্য অনেকটাই জুলাই সনদের ভেতরে প্রতিফলিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
চরমোনাই পীরের অভিযোগ, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে হওয়ায় সনদ নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা চাপা পড়ে গেছে। এতে জনগণের মধ্যে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে পৌঁছাচ্ছে না।
এদিকে তিনি সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন এবং বলেন, এখনও জননিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা রয়ে গেছে। সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।