অন্তর্বর্তী সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম গতকাল সোমবার গণমাধ্যমে জানায়- তিনটি ক্যাটাগরির আওতায় এই প্যাকেজ চালু হবে।
এতে বলা হয়েছে, A ক্যাটাগরির (গুরুতর আহত) যোদ্ধারা প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতা পাবেন, পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা এককালীন সহায়তা দেওয়া হবে—যার মধ্যে ২ লাখ চলতি অর্থবছরে এবং ৩ লাখ আগামী অর্থবছরে প্রদান করা হবে।
B ক্যাটাগরির আহতদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা এবং এককালীন ৩ লাখ টাকা সহায়তা।
C ক্যাটাগরির তুলনামূলক কম আহতদের জন্য থাকবে মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতা এবং এককালীন ১ লাখ টাকা সহায়তা।
এছাড়াও আহতদের দেওয়া হবে সরকারি ও আধা-সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার, বিনামূল্যে চিকিৎসা, কর্মপূর্ব প্রশিক্ষণ, জাতীয় পরিচয়পত্রে বিশেষ স্বীকৃতি এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। যাদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর, প্রয়োজনে তাদের বিদেশে চিকিৎসার জন্যও সহায়তা করা হবে।
এদিকে, আন্দোলনে নিহতদের (শহীদ) পরিবারের প্রতি আরও বড় আকারে সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক শহীদের পরিবারকে এককালীন ৩০ লাখ টাকা দেওয়া হবে—এর মধ্যে ১০ লাখ চলতি অর্থবছরে এবং ২০ লাখ পরের অর্থবছরে প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে তারা পাবেন মাসে ২০ হাজার টাকা করে আজীবন ভাতা, পাশাপাশি শহীদের সন্তান বা স্বামী/স্ত্রীদের সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আগামী জুলাই ২০২৫ থেকে এসব সহায়তা কার্যকর হবে। সরকার এ পদক্ষেপকে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী নাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবে দেখছে।