পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশিরা হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা এবং সান্ত মণ্ডল। ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনীতে (ইউএনআইএসএফএ) দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন।
মূল অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রাণ হারানো প্রায় সাড়ে চার হাজার শান্তিরক্ষীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এছাড়া গত বছর নিহত ৫৯ জনসহ সর্বমোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর এই মর্যাদাপূর্ণ পদক দেওয়া হচ্ছে।
এবারের দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’। বর্তমান বিশ্বরাজনীতিতে বাড়তে থাকা সংঘাত এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতার এই কঠিন সময়ে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে সচল রাখতে টেকসই রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর এই প্রতিপাদ্যে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
এক বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শান্তিরক্ষা হলো স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পরীক্ষিত ও সাশ্রয়ী মাধ্যম। তবে এর সফলতার জন্য নিরবচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সমর্থন এবং নির্ভরযোগ্য আর্থিক জোগান অপরিহার্য।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া শান্তিরক্ষীদের প্রশংসা করে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশেও তারা নাগরিকদের ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। শান্তিরক্ষায় বিনিয়োগ মানেই বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ও সংঘাত প্রতিরোধে বিনিয়োগ। এছাড়া অনুষ্ঠানে বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আরও কিছু বিশেষ পদকও দেওয়া হবে।