শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, বিএনপির অনেক নেতাকর্মীও এর শিকার হয়েছেন, কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, এগুলো জাতীয় রাজনীতিতে সরাসরি কোনো প্রভাব ফেলবে না। তার অভিযোগ, গত ১৭ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদলের স্বাভাবিক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ ছিল না।
সংস্কার ও গণভোট বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি আগে থেকেই এসব বিষয় তাদের ৩১ দফার মধ্যে তুলে ধরেছে। একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা দলের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নিরাপত্তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি নিজে কোনো বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ব্যবহার করছেন না। তবে সাম্প্রতিক হামলার কারণে অনেক রাজনৈতিক নেতাই বাড়তি নিরাপত্তা নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফর সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি দলীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে সরকার গঠন করতে পারলে উত্তরাঞ্চলের মতো পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সফরের অংশ হিসেবে তারেক রহমান শহীদ আবু সাঈদসহ জুলাই আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত এবং বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন বলেও তিনি জানান।
এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান তুহিনসহ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।