অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে পারভিন বেগমের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্যে তিনি নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সরাসরি ডিজিটাল ব্যবস্থায় ভাতা পাঠানো হলে অনিয়মের সুযোগ কমবে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরাই সহায়তা পাবেন বলেও জানান তিনি।
এই কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। উপকারভোগীরা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে সরাসরি অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন, ফলে ঘরে বসেই সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই তালিকাভুক্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারীর ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল আর্থিক সেবায় নির্ধারিত অর্থ জমা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে জেলা, উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সমন্বিত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি তথ্যে জানা যায়, শুরুতে ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারকে উপযুক্ত হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। তারা এ সময় অন্য কোনো ভাতা না পেলেও পরিবারের অন্য সদস্যদের বিদ্যমান সুবিধা চালু থাকবে।
তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহার্য সামগ্রী এবং প্রবাসী আয়ের তথ্য যাচাই করে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া সফটওয়্যারভিত্তিক হওয়ায় পক্ষপাত বা হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।