স্পিকার বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও এর সমাধান সংসদেই হওয়া উচিত। তার মতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর নিষ্পত্তি সম্ভব।
তিনি বলেন, সরকারি দল যতটুকু সম্ভব ছাড় দেবে, তেমনি বিরোধী দলকেও সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার বাস্তবতা বিবেচনায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। উভয় পক্ষের পারস্পরিক বোঝাপড়া হলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথ আরও সহজ হবে।
স্পিকার আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গুম-সংক্রান্ত বিষয় এবং মানবাধিকার আইন নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। এমন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যা সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে এবং ভবিষ্যতেও নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক বিভক্তির সুযোগ নিয়ে কোনো অস্থিতিশীলতা বা অতীতের বিতর্কিত শক্তির পুনরুত্থানের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সহযোগিতা ও ঐকমত্য বজায় রাখা প্রয়োজন।
শেষে স্পিকারের বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতার বিকল্প নেই। আলোচনার মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে এবং দেশের মানুষও এর সুফল পাবে।