ভাইরাল হওয়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজের বিভিন্ন অংশে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে দেখা যায়। ভিডিওর কোনো অংশে তাঁকে ফোনে কথা বলতে এবং অন্য অংশে ওই তরুণীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় বসে থাকতে দেখা গেছে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেলের পরিচালিত ‘ক্রাইম বার্তা’ দাবি করে, ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
তবে তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘বেঙ্গল লেন্স’ জানিয়েছে, তাদের অনুসন্ধানে ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে থাকা টাইমস্ট্যাম্প অনুযায়ী ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়। তবে ভিডিওটি ঠিক কোথায় ধারণ করা হয়েছিল, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, ভিডিওটি তাঁদের নজরে এসেছে। গাজী নজরুল ইসলাম তাঁদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে থাকা নারী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।
আজিজুর রহমান আরও বলেন, ভিডিওটি কীভাবে প্রকাশ্যে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় বিয়ে কবে হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানেন না। তাঁদের জানা মতে, বিয়েটি বেশ কিছুদিন আগেই হয়েছে।