বৈঠকে স্বাস্থ্য খাতের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে ই-হেলথ কার্ড কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, নাগরিকদের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া—এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অব্যবহৃত ভবন স্বাস্থ্যসেবায় কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। এলজিইডির অন্তত ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবনকে ক্লিনিক বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রূপান্তরের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এ ধরনের সব অব্যবহৃত স্থাপনা চিহ্নিত করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে সেবাকেন্দ্র গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় আসে। প্রতিবছর প্রায় ৩৪ লাখ নবজাতকের জন্ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।
এ ছাড়া নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ—যাদের ৮০ শতাংশ নারী—এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও কর্মী নিয়োগের বিষয়েও কথা হয়। দুর্গম এলাকায় কর্মরত চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদও দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।