সময়সীমা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় ব্যস্ত ছিলেন গণসংযোগে। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন, নানা প্রতিশ্রুতি দেন। কেউ গভীর রাত পর্যন্ত মাঠে ছিলেন, কেউ আবার ভোরেই বেরিয়ে পড়েন। তাদের মতে, শেষ মুহূর্তের সময়টুকুও ভোটের জন্য মূল্যবান।
অধিকাংশ প্রার্থীই সুষ্ঠু ভোট হলে জয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। কিছু এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথাও শোনা গেছে। তবে ভোটারদের প্রধান চাওয়া, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট প্রদান।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ৪৯ জেলায় ইতোমধ্যে ব্যালট পেপার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছেছে। বাকি জেলাগুলোতেও দ্রুত ব্যালট সরবরাহ করা হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ওই আসন ছাড়া দেশের ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ভোটার তালিকা অনুযায়ী, এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে, ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। আর সবচেয়ে বেশি ভোটার গাজীপুর-২ আসনে, ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।
এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন, এর মধ্যে স্বতন্ত্র ২৭৫ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯১ জন প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি।