বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপন এবং জাদুঘর উদ্বোধন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
সভা শেষে জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাব জানান, উদ্বোধনকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রদর্শনী উপকরণ সংযোজন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দর্শনার্থী ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল কনটেন্ট স্থাপনের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
জাদুঘরে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন আলোকচিত্র, ভিডিও, ঐতিহাসিক দলিল, সংবাদপত্রের সংরক্ষিত প্রতিবেদন, আন্দোলনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী, শহীদ ও আহতদের স্মারক, পোশাক, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হবে। গবেষক ও আগ্রহী দর্শনার্থীদের জন্য একটি তথ্যসমৃদ্ধ আর্কাইভও রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জাদুঘরটি শুধু স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়; জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, ত্যাগ ও সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবেও ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিকবার উদ্বোধনের ঘোষণা এলেও নানা কারণে জাদুঘরটি তখন চালু করা সম্ভব হয়নি।