বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আয়োজিত প্রথম দরবারে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কারও প্রতি তাঁর রাগ বা অনুরাগ থাকবে না। দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থই হবে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। যেকোনো পরিস্থিতিতে জনগণের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও আনুগত্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গভবন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বঙ্গভবনের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশ দেন, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।
রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল হওয়ার পাশাপাশি অপচয় রোধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অর্থেই সরকারি সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা পরিচালিত হয়। তাই এসব সম্পদের যথাযথ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিজীবনে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও সুন্দর চরিত্র গঠনের ওপরও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।
মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেশ ও রাষ্ট্রগঠনে অবদানের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী সব রাষ্ট্রপতিকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।
বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, তাঁরা সবাই একটি পরিবারের সদস্য। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান এবং ভবিষ্যতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।