বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
বিএফআইইউ প্রধান বলেন, যৌথ তদন্তের আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর দেশের অভ্যন্তরে থাকা ৫৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে থাকা আরও ১৯ হাজার কোটি টাকার সম্পদও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দেশ থেকে যে সম্পদ চুরি হয়ে গেছে, তা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ বছরের শেষে সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে সুখবর দেওয়া যাবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘আমরা দলমতের দিকে তাকাই না। সন্দেহজনক হলেই ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ করে থাকলে সেটাও সামনে আসবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে শেখ হাসিনা পরিবার এবং ১০টি শিল্প গ্রুপের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, কর ফাঁকি ও অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি যৌথ তদন্ত দল কাজ শুরু করে।
তদন্তের আওতায় থাকা শিল্প গ্রুপগুলো হলো— এস আলম, বেক্সিমকো, নাবিল, সামিট, ওরিয়ন, নাসা, বসুন্ধরা, ডা. ইকবালের প্রিমিয়ার, সিকদার এবং সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের আরামিট গ্রুপ।
বিএফআইইউ সূত্র জানায়, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে সম্পদ জব্দের পাশাপাশি বিভিন্ন মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে থাকা সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক আইনি সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।