শনিবার (১ আগস্ট) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়ে র্যাব-১-এর টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, ভুক্তভোগীদের বর্ণনা ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে কয়েকটি কক্ষ শনাক্ত করা হয়েছে। বিচারকদের সরেজমিন পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ মামলার বিচারিক নথির অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে।
তিনি বলেন, ভবনটিতে মোট ২২টি ছোট-বড় কক্ষের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কক্ষে আটক ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় গোপনে রাখা হতো এবং নির্যাতনের শিকার হতে হতো। অনেককে পরে আদালতে হাজির করা হলেও বহু নিখোঁজ ব্যক্তির এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি।
আমিনুল ইসলাম আরও জানান, পরিদর্শনের সময় ভবনের কিছু অংশে নতুন দেয়াল নির্মাণ করে আগের কাঠামো আড়াল করার আলামত পাওয়া গেছে। তদন্তে কয়েকটি দেয়াল অপসারণের পর ভেতরে আরও কিছু কক্ষের সন্ধান মেলে।
তিনি বলেন, অবৈধ আটক, গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং নির্দেশদাতাদের ভূমিকা আন্তর্জাতিক আইনের ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতির আলোকে তদন্তে বিবেচনা করা হচ্ছে।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, র্যাব-১ পরিদর্শনের পর আগামী শনিবার ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরে ডিজিএফআই-সংশ্লিষ্ট কথিত আটককেন্দ্র জেআইসি পরিদর্শন করবেন ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা।