মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ জন কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সেনা সদর দপ্তরের অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে ১৪ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন। তবে একজন কর্মকর্তা অফিস থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি—তার অবস্থান এখনও অজানা। নিখোঁজ ওই কর্মকর্তাকে খুঁজে বের করার জন্য সেনা গোয়েন্দা বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে তৎপর রয়েছে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দাখিল করা চার্জশিটে এই কর্মকর্তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বক্তব্যে সেনা কর্তৃপক্ষ বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা সংবিধান, আইন এবং শৃঙ্খলার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো কর্মকর্তা বা সদস্য যদি অপরাধে জড়িত থাকে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি প্রকাশের পর সামরিক ও বেসামরিক মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই পদক্ষেপ সেনাবাহিনীর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ।