রবিবার বিকেলে রমনা পার্কে স্থাপিত ডিএমপির অস্থায়ী কন্ট্রোল রুমে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, পহেলা বৈশাখে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বড় জমায়েত হবে। এ কারণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো শহরকে ৯টি সেক্টর ও ১৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল টিম তল্লাশি চালাবে।
রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একাধিক প্রবেশপথে ব্যারিকেড, আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি সিসিটিভি, ড্রোন ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।
ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার ঠেকাতে সাদা পোশাকে বিশেষ টিম কাজ করবে। গুজব ও অপপ্রচার রোধে সাইবার পেট্রোলিংও জোরদার করা হয়েছে।
ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্ধারিত গেট দিয়ে প্রবেশ ও প্রস্থান নিশ্চিত করা হবে এবং পুরো শোভাযাত্রা রুট থাকবে কঠোর নজরদারিতে। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব আয়োজন শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে।
এদিকে, ভোর থেকে শাহবাগসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচলে ডাইভারশন দেওয়া হবে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যারিকেড থাকবে এবং নগরবাসীকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পার্কিং, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিক্যাল টিমসহ জরুরি সেবাগুলো প্রস্তুত থাকবে। সন্দেহজনক কিছু দেখলে ৯৯৯ নম্বরে বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানাতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কমিশনার।