গতকাল শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ নজরুল লেখেন, “ভিপি নুরুল হক নূরের উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
এই পোস্টের মন্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, “প্রতিবাদের কাজ আপনার? ভণ্ডামি বাদ দেন স্যার। যেই জন্য বসানো হইছে সেটা না করে কী কী করছেন এসবের হিসাব দিতে হবে। কে কোথায় কিভাবে কোন কাজে বাধা দিছে এসব খবর আমাদের কাছে আছে। এসব প্রতিবাদের ভং না ধরে কাজটা করেন।”
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাপা ও গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষের পর পরই ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।
গণ অধিকার পরিষদের গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ জানান, সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের হামলায় নুরুল হক নুরসহ তাদের অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় নুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢামেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দলটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান অভিযোগ করেন, “সেনাবাহিনী ও পুলিশ যেভাবে নুরের ওপর হামলা করেছে, তাতে তার নাক ভেঙে গেছে, চোখের অবস্থাও খুব খারাপ, তার হাত গুরুতর জখম হয়েছে।”
হামলার পর রাতেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নুরকে দেখতে হাসপাতালে যান। এক বিবৃতিতে শফিকুল আলম এই হামলার নিন্দা জানান এবং বলেন, তিনি নিশ্চিত, কর্তৃপক্ষ এই হামলার তদন্ত করবে।