গত শুক্রবার থেকেই নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। তবে শনিবার সকাল থেকে পানির উচ্চতা হঠাৎ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি, হাটবাজার, রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হাঁটু সমান পানির নিচে চলে গেছে।
প্লাবিত গ্রামগুলোতে এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বা শুকনো খাবার পৌঁছায়নি। খাদ্য সংকটে পড়েছেন অধিকাংশ বাসিন্দা। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিলেও অনেকেই অনাহারে বা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।
চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ভাঙা বাঁধের কারণে ক্ষতির মাত্রা বেড়েছে আরও। ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে দেড় বছর আগে ইউনিয়নের একমাত্র রক্ষা বাঁধটির অধিকাংশ অংশ বিলীন হয়ে যায়। যদিও তখন তিন মাসের মধ্যে বাঁধ পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দেয়া হয়েছিল, বাস্তবে এখনও নির্মিত হয়নি কোনও স্থায়ী বাঁধ। ফলে প্রতি বছর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে পুরো ইউনিয়ন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন বলেন, “পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া বন্যা দুর্গত এলাকায় দ্রুত শুকনো খাবার পৌঁছানোর নির্দেশনা দেয়া হবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।”
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর এমন দুর্যোগে তারা আক্রান্ত হলেও কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো প্রস্তুতি থাকে না। দ্রুত সহায়তা না পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।